উত্তাল প্রেমের সময় টের পাননি। কিন্তু ঘোর কাটতেই বুঝলেন কিছু একটা ভ,য়ঙ্কর ঘটেছে।পুরুষা,ঙ্গে প্রচণ্ড যন্ত্র’নার ফলে শরীরে ছড়িয়ে পড়ল অ,স্বস্তি। অগ্যতা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেন ৪৩ বছরের তরুণ।সে,ক্সের সময় পুরুষা,ঙ্গে লাভ বা,ইট দিয়েছিলেন বান্ধবী। কিন্তু হা,ল্কা কামড় নয়, পড়েছিল একটু বেশি চাপ। তাতেই কা,লশিটে পড়ে গিয়েছিল

পুরুষা,ঙ্গে। ওই কামড়ের ফলে ছিড়ে গিয়েছে বেশকিছু টি,স্যু!এমনই এক ভ’য়ঙ্কর ঘটনার বর্ণনা করেছে ভিজুয়াল জার্নি অব এমা’র্জেন্সি মেডিসিন। জার্নালের তরফ থেকে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়, তাতেই ছবি সমেত প্রকাশিত হয় এই সংক্রমণের তথ্য।সেখানে জানানো হয় যে শ,রীরে এমন হাল হলেও জ্বর আসেনি। কারণ শুধুমাত্র পুরুষাঙ্গেই পচন ধরতে

শুরু করেছিল, সারা শরীরে নয়।এর পরিণাম হতে পারত ভয়ঙ্কর। এমন কী’’ মৃ’ত্যু পর্যন্ত হতে পারত। শা,রীরিক মিলনের প্রায় পাঁচদিন পর ব্যাথা অনুভব করেন তরুণ। সংক্রমণ যে হয়েছে তা তিনি বুঝতে পারেননি। কারণ সংক্রমণের ফলে জ্বর হয়নি। তবে ব্যাথা হয়েছিল অসহ্য।ত,রুণের অবস্থা দেখে তাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা

হয়। অ্যান্টিবায়োটিক দেখা হয় তাকে।প্রায় মাসখানেক চিকি,ৎসাধীন ছিলেন তিনি৷ তারপর পুরোপুরি সু,স্থ হয়ে ওঠেন।আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিনে এই রোগের কথা বিশেষ গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হয়। কারণ অনেকেই এমন রোগ হলে চে*পে যান। লজ্জায় চিকিৎসক দেখাতে যান না।তবে এমন সেক্সের সময় পুরুষা,ঙ্গে লাভ বাইট খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া,বলছে সমীক্ষা। আর তার থেকে এমন হলে চিন্তা না করে উপযুক্ত চিকিৎসা নিতে হবে বলেই মত চিকিৎসকদের।

আরো পড়ুন,সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জীবন যাপনের মানেও এসেছে পরিবর্তন। সন্দেহ নেই যে, যত দিন যাচ্ছে ততই উন্নত হচ্ছে আমাদের জীবন। কিন্তু এই উন্নত জীবন দূর করে দিচ্ছে সব আপনজনদের।জীবনে আপনজনদের গুরুত্ব অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তবে সুন্দর জীবনের আশায় আম’রা দিন দিন কাছের মানুষদের কাছ থেকে

দূরে যেয়ে একাকি জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠছি। যা মা’রাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমাদের ভালো সময়ে প্রিয়জন যেমন পাশে থাকেন, তেমন দুঃসময়েও থাকেন। কিন্তু একাকিত্বের কারণে আমাদের পুষে রাখা রাগ, দুঃখ, অ’ভিমান থেকে জন্ম নিচ্ছে হতাশা। আর সেই হতাশা এখন এমন পর্যায়ে যাচ্ছে যা অজান্তেই মৃ’ত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

কারণ আম’রা মন খুলে কারো সঙ্গে মনের কথা বলতে পারি না।চলুন জেনে নেয়া যাক একাকিত্ব কি কি ক্ষতির কারণ- আমাদের পরিজনেরা আমাদের কাজের খোঁজ নেন, শরীরের খোঁজও নেন, কিন্তু মনের খোঁজ রাখেন না। সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে যাদের হার্টের সমস্যা রয়েছে তাদের মধ্যে একাকিত্বের সম্ভাবনা আরো বেড়ে যায়। তারা ধরেই নেন

যখন যা খুশি হয়ে যেতে পারে। কারণ তাদের এই মনের দিকটি বুঝে কথা বলেন না কেউই। আপনার কোনো কাছের মানুষের সঙ্গে কথা বলে যদি মনে হয় তিনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন বা নিজেকে ভীষণ একা মনে করছেন তবে যতটা সম্ভব দ্রুত তার মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন। এই ডিপ্রেশন বা একাকিত্ব থেকেই চাপ পড়ে হৃদয়ে। যা মৃ’ত্যুর অনিবার্য কারণ

হয়ে উঠতে পারে একাধিক শারীরিক ব্যাধির সূত্রপাত হয় অ্যাংক্সাইটি বা মানসিক রোগ থেকেই। তাই একাকিত্ব অনুভব করলে তা দূর করতে সচেষ্ট হন। আমাদের এইসব মনের রোগের জন্য দায়ী অনেকটা নিজেরাই। সবার থেকে আলাদা হয়ে না থেকে মন খুলে মিশুন। দিনশেষে হাসিখুশি থাকা’টাই আসল। মন ভালো থাকলে বাকিসব কাজ নিজে থেকেই ভালো হবে।

একাকিত্ব হতে পারে জটিল স্নায়ুর অ’সুখও। কারণ অ’তিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে ঘুম কম হওয়া, পরিমিত খাবার না খাওয়া, চা বেশি খাওয়া, অ’ত্যাধিক সিগারেট খাওয়া চাপ ফেলে স্নায়ুতন্ত্রে। ফলে নার্ভাস ব্রেক ডাউন বা নিজের উপর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। কী’ করছে, কেন করছে তার কোনো সঠিক ব্যাখ্যা থাকে না।

অ’সুস্থতার প্রথম মাপকাঠি হলো একাকিত্ব। ছুটির দিনে স্বামী-স্ত্রী’ বাড়ির বাইরে ডিনারে না গিয়ে ঘরে বসে ভিডিও গেম খেললেও একাকিত্ব বাড়ে। যার ফলে অজান্তেই পজিটিভিটি, শারীরিক ক্ষমতা সবটাই কমতে থাকে। কমে যৌ’ন চাহিদাও। যেখান থেকে অশান্তির সূত্রপাত। পরিণতি গিয়ে দাঁড়াতে পারে ডিভোর্সে টাইপ১ ডায়াবেটিস, ওবেসিটি, উচ্চর’ক্তচাপ সহ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here