মুসলিম শাসকরা যদি একটু হুংকার দিয়ে উঠতো তবে মুসলিম জাতি কখনো মা’র খেত না ইরান সেটায় দেখিয়ে দিল,,এ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী ইরানের ১৫ টি মিসাইল হাম’লায় অন্তত ৯৭ জন মার্কিন সৈন্য নি’হত এবং ৫শতাধিক আ’হত হয়েছে যাদেরকে হেলিকপ্টারে করে চিকিৎসার জন্য নেয়া হচ্ছে। একই সাথে ১২টিরও অধিক হেলিকপ্টার ও ড্রো’ন বি’ধ্বস্ত হয়েছে ।

অন্ধকার দিনগুলো মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত হোন: ট্রাম্পকে সোলাইমানির মেয়ে জয়নব

মার্কিন হা’মলায় নি’হত ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলেইমানির জানাজা পড়ালেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সোমবার তেহরানে কুদস ফোর্সের এই প্রধানের ম’রদহের প্রতি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা শেষে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি-সহ অন্যান্য বাহিনীর শী’র্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশটির বি’প্লবী গার্ড বাহিনীর অভিজাত শাখা কুদস ফোর্সের প্রধানের ম’রদেহ তেহরানে পৌঁছায় সোমবার সকালে। ইরানের শী’র্ষ এই জেনারেলের ম’রদেহের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের রাস্তায় নামে লাখো জনতা ঢল।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানাজার নামাজ সরাসরি সম্প্রচার করে। এদিন টেলিভিশনে দেখা যায়, রাজধানীর রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার মানুষ যুক্তরাষ্ট্রবি’রোধী স্লো’গান ও হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে জড়ো হয়েছেন। এসময় এক ভাষণে সোলাইমানির মেয়ে জয়নব সোলাইমানি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উ’ন্মাদ সম্বোধন করে বলেন,

আমার বাবার হ’ত্যার সঙ্গে সঙ্গেই সব কিছু সমাপ্ত হয়ে গেছে বলে মনে করলে ভুল করবেন ট্রাম্প। অন্ধকার দিনগুলো মো’কাবেলার জন্য প্রস্তুত হোন। জানাজার নামাজ পড়ানোর সময় আয়াতুল্লাহ আল খামেনির চোখে অশ্রু দেখা যায়।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে জানাজার নামাজ শেষে ইরাকে মার্কিন হা’মলায় নি’হত সোলাইমানিসহ বাকি সেনা কর্মকর্তাদের ম’রদেহ ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে ধর্মীয় নগরী কোমে নেওয়া হবে।

কোম নগরীতে সোলাইমানির জানাজার নামাজ শেষে তার জন্মস্থান কেরমান প্রদেশে ম”রদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানেই তার শেষ জানাজার নামাজ শেষে দাফন করা হবে।

ছোট্ট বয়সেই দারুণ এক গৌরব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ইরানি বালিকা জাহরা পার্জকার। মাত্র ১১০ দিনে ফার্সিভাষার অনুবাদসহ সম্পূর্ণ কুরআনে কারিম মুখস্থ করেছে সে। হাফেজা হওয়ার পাশাপাশি সবচে কম সময়ে ভিন্ন আরেকটি ভাষায় কুরআনের অনুবাদ মূখস্ত করার বিশ্বরেকর্ড এটি।

জাহরা পার্জকার ইরানের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বয়স মাত্র ১৫ বছর। কয়েকমাস আগে তার কয়েকজন বান্ধবীর সঙ্গে সেও একটি তাহফিজুল কুরআন একাডেমিতে ভর্তি হয়। সবাইকে অবাক করে দিয়ে মাত্র ১১০ দিনে হাফেজা হওয়ার পাশাপাশি কুরআনের ফার্সি অনুবাদ মুখস্থ করতে সক্ষম হয় ইরানি এই বিস্ময়কর বালিকা। এ সময়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুখস্থ করতে পেরেছে মাত্র ১৫ পারা।

ইরান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কুরআন শাখার বিভাগীয় প্রধান জানান, এই অল্প সময়ে হাফেজা হওয়ার সঙ্গে কুরআনে কারিম ফার্সিভাষায় মুখস্থ করে আমাদের যাহরা বিশ্বরেকর্ড গড়ে দেশের মান উজ্জ্বল করেছে, আমরা তার আলোকিত ভবিষ্যতের প্রত্যাশা করি।

বিশ্বইজতেমা নিয়ে আবারও মুখোমুখি তাবলিগের দুই পক্ষ !

টঙ্গীতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমার নয়নাভিরাম রাতের দৃশ্য। ফাইল ছবি বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন নিয়ে আবারও মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে তাবলিগ জামাতের বিবদমান দু’পক্ষ।

মাওলানা সাদের অনুসারীদের ইজতেমাকে ‘ইজতেমা’ বলতেই নারাজ সাদবিরোধীরা। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন তাবলিগ জামাতের কেন্দ্রীয় মুরব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলবির বিরোধী অংশ হিসেবে পরিচিত এ অংশটি।

অপরদিকে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ কামনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মাওলানা সাদ অনুসারীরা। গত ২৮ অক্টোবর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে জানানো হয়েছিল, আগামী ১০ থেকে ১২ এবং ১৭ থেকে ১৯ জানুয়ারি দু’পক্ষ আলাদাভাবে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা পালন করবে।

অর্থাৎ, প্রথম পর্বে (১০-১২ জানুয়ারি) সাদবিরোধী গ্রুপ এবং দ্বিতীয় পর্বে (১৭-১৯ জানুয়ারি) সাদপন্থীদের ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। তবে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী মাওলানা সাদের অনুসারীরা ইজতেমা করলেও সেটাকে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব বলতে নারাজ বিরোধী পক্ষের নেতারা।

বৃহস্পতিবার ‘তাবলিগ জামাতের চলমান পরিস্থিতি ও বিশ্ব ইজতেমা-২০২০ এর প্রস্তুতি’ শীর্ষক বৈঠকে ২০ দলীয় জোটের সাবেক শরীক দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, ‘এবার তাবলিগ জামাতের ইজতেমা একপর্বেই হচ্ছে।

আর সেটা ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।’ তাবলিগ জামাতের উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হলেও এতে মাওলানা জুবায়ের বা তার সমমর্যাদার কোনো মুরব্বি উপস্থিত ছিলেন না।

এছাড়া কাকরাইলের প্রথম বা মধ্যসারির কোনো দায়িত্বশীলকেও বৈঠকে অংশ নিতে দেখা যায়নি। সাদবিরোধীদের মতবিনিময় সভা সাদবিরোধীদের মতবিনিময় সভা বৈঠকে তাবলিগের ইতিহাস, তাবলিগের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

আলোচনায় উঠে আসে তাবলিগের সংকটের বিষয়টিও। তারা বলেন, মাওলানা সাদের ভ্রান্ত মতাদর্শের কারণেই মূলত আলেমরা তার বিরোধিতা করছেন। শুধু বাংলাদেশের আলেমরা নন, সারা বিশ্বের আলেমরাই তার বিরোধিতা করেছেন।

এদিকে আসন্ন বিশ্ব ইজতেমার তারিখ সম্পর্কে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে চিঠি দিয়েছেন মাওলানা সাদ কান্ধলবির অনুসারীরা। বৃহস্পতিবার কাকরাইলের আহলে শুরা সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম প্রেরিত ওই চিঠিতে বলা হয়,

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, আগামী ১০ থেকে ১২ জানুয়ারি মাওলানা জুবায়ের অনুসারীরা ইজতেমা করবে আর ১৭ থেকে ১৯ জানুয়ারি মাওলানা সাদ অনুসারীরা ইজতেমা পালন করবে। কিন্তু গত ১লা জানুয়ারি একটি চিঠিতে ইজতেমার ‘সঠিক তারিখ’ হিসেবে ১০,১১ ও ১২

জানুয়ারি উল্লেখ করে তা সব মসজিদে ঘোষণার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ধরণের আহ্বান সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা বলে ওই চিঠিতে বলা হয়। এদিকে যতই মতবিরোধ হোক বাংলাদেশেই বিশ্ব ইজতেমা হবেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৃহস্পতিবার বিকালে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান চত্বরে এবারের বিশ্ব ইজতেমার অগ্রগতি বিষয়ক অবহিতকরণ সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও ইজতেমা নিয়ে তাবলীগ জামাতের লোকজন দ্বিধাবিভক্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে মতবিরোধ হয়েছে।

যতই মতবিরোধ হোক, বাংলাদেশেই বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তাদের মধ্যে মত পার্থক্য থাকলেও তারা সুন্দরভাবে এক জায়গায় ইজতেমা করবে তারা সে ব্যাপারে একমত। তারা অভিমত প্রকাশ করেছেন এবারও যেভাবে প্রস্তুতিটা হয়েছে, যেভাবে কাজ চলছে, সুন্দরভাবে ইজতেমাটা সম্পন্ন হবে।

অনুষ্ঠানে যুব ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, পুলিশের আইজি জাবেদ পাটোয়ারি, র‌্যাব মহাপরিচালক মো. বেনজীর আহমদ,

গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম, তাবলীগের দুই পক্ষের পাঁচজন করে ১০জন মুরুব্বীসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

দানিশ কানেরিয়ার এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইনজামাম-উল-হক বলেছেন, অমুসলিম ক্রিকেটারদের মধ্যে পাকিস্তান দলে ইউসুফ ইউহানাও ছিল। কিন্তু এখন ও মুসলিম। ওর নাম এখন মোহাম্মদ ইউসুফ। যখন ও ইউসুফ ইউহানা ছিল, তখনও অমুসলিম বলে ওর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়নি। যদি তাই হতো তাহলে সে নিশ্চয়ই ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হতো না।

এই ব্যাটসম্যান এখন তাবলিগ জামাতের সক্রিয় সদস্য হিসেবে ইসলাম প্রচারে রত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here