Home Blog

দারুণ সুখবর আইপিএলে খেলার সুযোগ পাচ্ছে ৬ বাংলাদেশী ক্রিকেটার

0

চলতি মাসের ১৯ তারিখে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বড় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ইন্ডিয়া প্রিমিয়ার লিগের প্লেয়ার ড্রাফট।

এবারের আইপিএলের প্লেয়ার ড্রাফটের জন্য নিবন্ধন করছেন ৭১৩ জন ভারতীয় ক্রিকেটার ছাড়াও নিবন্ধন করেছেন ২৫৮ জন বিদেশি ক্রিকেটার।
২০০৮ সালে শুরু হওয়ার পর ধারাবাহিকভাবে প্রতি বছর মাঠে গড়িয়েছে আইপিএল এর আসর। গত ১২ আসরের খেলা মাঠে গড়ানোর আগে প্রতিবার এই টুর্নামেন্টের নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যাঙ্গালোরে।
তবে ১৩ তম আসরের আগে ব্যাঙ্গালোর থেকে সরে কলকাতায় বসতে যাচ্ছে ক্রিকেট বাছাই প্রক্রিয়া। এবার গার্ডেন সিটির বদলে সিটি অফ জয়তে অনুষ্ঠিত হবে সেই নিলাম। আগামী ১৯ ডিসেম্বর কলকাতায় বসবে খেলোয়াড় কেনার আসর।

মাঠের লড়াইয়ের আগে সমস্ত ক্রিকেট বিশ্বের চোখ আটকে থাকে এই নিলামে। যেখানে এবার ড্রাফটে উঠবে সর্বমোট ৯৭১ জন ক্রিকেটারের নাম। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে সুযোগ মিলেছে ৬ ক্রিকেটারের। যদিও এখনো খেলোয়াড়দের নাম প্রকাশ করেনি আয়োজক কমিটি।

এই ৯৭১ ক্রিকেটারদের মধ্যে ভারতীয় আছেন ৭১৩ জন। বিদেশি ২৫৮ জন। নিলাম পর্বে বাংলাদশের ৬ খেলোয়াড় ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া ৫৫, দক্ষিণ আফ্রিকা ৫৪, শ্রীলঙ্কা ৩৯, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৪, নিউজিল্যান্ড ২৪, ইংল্যান্ড ২২, আফগানিস্তান ১৯, জিম্বাবুয়ে ৩, আমেরিকা ১ ও নেদারল্যান্ডসের ১ জন করে ক্রিকেটার থাকবেন।
প্রসঙ্গত, গত বছর নিলামের পর সীমিত পরিমাণ যে বাড়তি অর্থ পড়ে আছে, তা দিয়েই এবারের দল সাজাতে হবে ফ্র‍্যাঞ্চাইজিগুলাকে। সবথেকে বেশি ৮ কোটি ২০ লক্ষ রুপি রয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালসের হাতে। রাজস্থান রয়্যালসের হাতে রয়েছে ৭ কোটি ১৫ লক্ষ রুপি। কলকাতা নাইট রাইডার্সের রয়েছে ৬ কোটি ৫ লক্ষ রুপি।
এছাড়াও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হাতে রয়েছে ৫ কোটি ৩০ লক্ষ রুপি। কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের কাছে রয়েছে ৩ কোটি ৭০ লক্ষ রুপি। চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে অবশিষ্ট রয়েছে ৩ কোটি ২০ লক্ষ রুপি এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্স আছে ৩ কোটি ৫ লক্ষ রুপি।

ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় যে ফল খেলে

0

অনেকেই জলপাই পছন্দ করেন। কেউ কেউ আবার পছন্দ করেন এ আচার। শীতকালীন এ ফল নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর। আছে স্বাস্থ্য উপকারিতাও।

পুষ্টিগুণ:
এটি ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উৎস। গবেষণায় দেখা গেছে, এই ফল খনিজ, ভিটামিন, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।
প্রতি ১০০ গ্রাম জলপাইয়ে খাদ্যশক্তি ৭০ কিলোক্যালরি, ৯ দশমিক ৭ শর্করা, ৫৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ১৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি।
স্বাস্থ্য উপকারিতা:
১. জলপাইয়ের তেলে পাওয়া যায় ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বক ও চুলের যত্নে কাজ করে। জলপাইয়ের তেল চুলের গোড়া মজবুত করে। চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দূর হয়। জলপাইয়ের ভিটামিন-ই ত্বকে মসৃণ ভাব আনে।
২. জলপাইয়ের তেল হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।

৩. নিয়মিত জলপাই খেলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার কম হয়। বিপাকক্রিয়া ঠিকভাবে হয়।
৪. কালো জলপাই ভিটামিন-ই এর ভালো উৎস। এটি ফ্রি র‌্যাডিকেল ধ্বংস করে। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। জলপাইয়ের ভিটামিন-ই কোষের অস্বাভাবিক গঠনে বাধা দেয়। ফলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।
৫. জলপাইয়ের মনো স্যাচুরেটেড চর্বিতে থাকে প্রদাহবিরোধী উপাদান। হাড়ের ক্ষয়রোধ করে জলপাই তেল।
৬. নিয়মিত জলপাই খেলে পিত্তথলির পিত্তরস ঠিকভাবে কাজ করে। পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা কমে যায়।
৭. জলপাই প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। সর্দি, জ্বর ইত্যাদি দূরে থাকে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
৮. জলপাই রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

যাদের সঙ্গে আল্লাহ থাকেন তারা কখনও হতাশ হন না

0

ইসলাম ডেস্ক-জয়-পরাজয়, পাওয়া-না পাওয়া, সাফলতা-ব্যর্থতা মানুষের জীবনে আসতেই পারে। তাই বলে কি হতাশ হয়ে আত্মহত্যা করতে হবে! আত্মহত্যা কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না। আর আত্মহত্যাকে কোনো ধর্মই সমর্থন করে না।

ইসলামের নির্দেশনা হচ্ছে, স্বপ্নপূরণে ব্যর্থ হলে হতাশ হওয়া যাবে না। ব্যর্থতার পরই আসবে সফলতা। যেমনিভাবে রাত পোহালেই আসে দিন। আর ব্যর্থতায় মর্মাহত লোকদের সান্ত্বনা দিয়ে আল্লাহ বলেন, তোমরা হতাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।

(সূরা আলে ইমরান : ১৩৯)
হতাশ হতে বারণ করেছে ইসলাম। যারা জীবনের প্রথম পর্যায়ে খারাপ কাজ করেছে পরবর্তী সময়ে নিজের কৃতকর্মের কথা স্মরণ করে মর্মপীড়ায় ভুগছেন, তাদেরও আল্লাহতায়ালা নিরাশ করেননি। তিনি তাদের সুপথে ফিরে আসার জন্য ক্ষমার সুসংবাদ দিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের সব গোনাহ মাফ করবেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা যুমার : আয়াত ৫৩)।
অনেকে হতাশ হয়ে হরেক রকম নেশায় জড়ায়। এতে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া যায় কিন্তু হতাশা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। নেশা করা ইসলাম ধর্মে হারাম। তাই যারা পাওয়া, না-পাওয়া জীবনে হতাশ হয়ে পড়েছে তাদের উচিত নেশা না করে ধৈর্য ধারণ করা এবং নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা। কেননা ধৈর্যশীলদের সঙ্গে থাকেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন।

এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আল্লাহ বলেন, হে ইমানদারগণ, তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। (সূরা বাকারা : ১৫৩)। আর আল্লাহতায়ালা যাদের সঙ্গে আছেন, তাদের দুঃখ-কষ্ট ঘায়েল করতে পারে না।
রাসূল (সা.) হতাশাগ্রস্ত মানুষকে মানসিক প্রশান্তি লাভের জন্য কয়েকটি আমলের নির্দেশ দিয়েছেন। যা তাদের মনকে সজীব ও সতেজ করবে।
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে কিছু দোয়া আছে, যে ব্যক্তি ওইগুলো পড়ে আমল করবে, সে কখনও নিরাশ বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। আমলগুলো তেত্রিশবার তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ) পড়া, তেত্রিশবার তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) পাঠ করা এবং চৌত্রিশবার তাকবির (আল্লাহু আকবার) পড়া। (সহিহ মুসলিম)

তখন মনে হয়েছিল আমরা হেরেই যাচ্ছি: রোহিত

0

ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্তবর্তীকালীন অধিনায়ক রোহিত শর্মা বলেছেন, শেষ দিকে ৮ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৬৯ রান। তখন মনে হয়েছিল ম্যাচটা হাত ফঁসকে যাচ্ছে।

পরাজয়ের দুয়ার থেকে দলকে জয় উপহার দেয়ায় ভারতীয় বোলারদের প্রশংসা করেছেন রোহিত শর্মা। তিনি বলেন, বোলাররাই ম্যাচটা জেতাল। শিশির পড়ার সমস্যাকে মাথায় রাখলে মানতেই হয় কাজটা খুব কঠিন ছিল।

অধিনায়ক বিরাট কোহলি বিশ্রামে থাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দেন রোহিত শর্মা। তার অধিনায়কত্বেই টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিক ভারত।

রোববার সিরিজ জয় নিশ্চিত করার পর সংবাদমাধ্যমে রোহিত শর্মা বলেন, প্রথম ম্যাচে হারের পর আমরা দারুণভাবে প্রত্যাবর্তন করেছি। ছেলেরা দায়িত্ব নিয়ে খেলেছে। ম্যাচ জয়ে কৃতিত্বটা বোলারদেরই দিতেই হবে। ব্যাটিংয়ে স্রেয়াশ আয়ারও লোকেশ রাহুল দুর্দান্ত খেলেছে। প্রত্যেকে নিজের মতো করে দায়িত্ব নেবে এটাই আমরা চাই।
রোহিত শর্মা আরও বলেন, আমরা আজ যেমন খেললাম, এরপর থেকে তরুণরা এভাবে খেলতে থাকলে দল নির্বাচনে বিরাট কোহলি ও নির্বাচকদের দুশ্চিন্তায় পড়তে হবে।

Hello world!

1

Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!